ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ , ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​গ্যাসের দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৩-০৮-২০২৬ ১১:৫১:৩০ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় : ১৩-০৮-২০২৬ ১২:৩৬:২২ অপরাহ্ন
​গ্যাসের দাবিতে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ​ছবি: সংগৃহীত
গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে জামালপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকরা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও কর্মস্থলগামী মানুষ।

চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জামালপুরে দীর্ঘদিন ধরে জাবেদ ফিলিং স্টেশন নামে মাত্র একটি গ্যাস পাম্পে সিএনজিতে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর বিপরীতে বিআরটিএ নিবন্ধিত প্রায় ৩ হাজার সিএনজি রয়েছে। এছাড়া বাইরে থেকে আসা সিএনজিসহ জেলায় চলাচলকারী মোট সিএনজির সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার।

চালকদের অভিযোগ, বিপুলসংখ্যক সিএনজির বিপরীতে মাত্র একটি গ্যাস পাম্প থাকায় প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এরপরও অনেক সময় পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যায় না। গ্যাস সংকটের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও খালি হাতে ফিরতে হয় চালকদের। এতে আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা।

সিএনজিচালক জয়নাল আবেদীন বলেন, রাত দুইটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ শুনি গ্যাস নেই। এটা শুধু আজকের সমস্যা নয়, মাঝেমধ্যেই এমন হয়। জামালপুরে এত সিএনজি, অথচ গ্যাস পাম্প মাত্র একটি। একদিকে গ্যাসের সংকট, অন্যদিকে একটি পাম্প হওয়ায় আমাদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাই আমরা বাধ্য হয়ে রাস্তা অবরোধ করেছি। আমরা নতুন গ্যাস পাম্প চাই এবং গ্যাস সংকটের স্থায়ী সমাধান চাই।

অবরোধের কারণে জামালপুর থেকে টাঙ্গাইল, রাজধানী ঢাকা ও উত্তরবঙ্গগামী দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, পিকআপসহ বিভিন্ন যানবাহন দীর্ঘ সময় ধরে আটকা পড়েছে। এতে মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। অনেক যাত্রীকে যানবাহন থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা গেছে।

জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার বলেন, অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে সড়ক অবরোধ তুলে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

জামালপুর সদর থানার ওসি নাজমুস সাকিব বলেন, গ্যাস পাম্প ও গ্যাস সংকটের কারণে সিএনজি চালকরা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলছি। যান চলাচল স্বাভাবিক করতে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ